Posts

শোষণ কবিতা

  শোষণ শোষণ করো না গো ভাই! শোনো শোষণ করো না।। এই দুনিয়ায় ক্ষমতা চিরদিনের না। যখন তুমি চলে যাবে কাজগুলো ভাই রবে পরে। সাজবে জামাই মাটির ঘরে, বলতেও পারবে না। শোষণ করো না গো ভাই! শোনো শোষণ করো না।। ফেরাউন, নম্রুদ ছিলো যারা গজবেতে গেছে মারা। এখন আর নেই গো ওরা, যানে ওই গ্রহ তারা। ওই কুলেতে পরবে ধরা পাড় তো পাবে না। শোষণ করো না গো ভাই! শোনো শোষণ করো না।। শোষিত আজ হচ্ছে জাতি, অন্ধকারে জ্বালবো বাতি। কার বা গোলাম কার বা সাথী? গুলি করছো দিবারাতি!!  ভাই হয়ে ভাই গুলো করো!!  কার বুকেতে অস্ত্র ধরো?? জানি তো ভাই কোন খেয়ালে বলতে পারছো না!! শোষণ করো না গো ভাই! শোনো শোষণ করো না।। রক্ত দিয়ে দেশ পেয়েছি,  স্বাধীনতার স্বাধ আছে কি? সত্য কিছু বলতে গেলে রক্ত দিয়ে মূল্য চলে! শহীদের ওই আত্মা বলে, অনিয়মের ছায়াতলে রইবে কি আর বেশ? সবটা দিয়ে গরতে হবে সোনার বাংলাদেশ।

কেন আমরা পাপি?

Image
আজকাল আমাদের সকল কাজকর্মের মধ্যেই পাপ কাজে নিয়োজিত থাকি তাই এর মধ্যে যেভাবে ভালো থাকা যায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। কবিতা : ০২  পাপ সুখের পাপে দুখী আমি, সর্বপরি কান্ডারী তুমি;  প্রকাশ্য বা যুক্ত তোমা বিনে হবেনা আজ এই রুহ  মুক্ত অন্যের পাপের কদরে ব্যস্ত আমি নিজ পাপে অভ্যস্ত।  যদি থাকিতাম নিজের পাপের তরে সংশোধিত; তবে হতাম না আর অন্যের পাপের জন্য ন্যাস্ত।  জানি কেউ নেই মোর তুমি ছাড়া হে মহারাজা। জানিনা কি হবে হায়! হয় যেন কি সাজা? সুখের পাপে দুখী আমি, সর্বপরি কান্ডারী তুমি; প্রকাশ্য বা যুক্ত তোমা বিনে হবেনা আজ এই রুহ  মুক্ত; তব দয়া বিনে আর নেই তো আমার। বেলা গেলে থাকবে কি আর? না করিলাম নিজের কিছু, হলো না আর দেখা; মহমায়ায় রইলাম পরে থাকতে হবে একা; কেউ নেই আমার ঘোর অন্ধকার, সবই যেনো মায়া; তুমি চলে গেলে থাকবে না তো নিজের প্রিয় ছায়া। কোন দিন যেনো চলে যাই দিও বন্ধু দেখা; থাকলে তুমি এই যে আমি হবো নাকো একা। শেষ কথাটি হয় যেনো মোর মুহাম্মাদের নাম; তুমি বিনে নেইকো আমার নেইকো অন্য দাম। সুখের পাপে দুখী আমি, সর্বপরি কান্ডারী তুমি; প্রকাশ্য বা যুক্ত তোমা বিনে হবেনা আজ এ...

গনতন্ত্র কবিতা

Image
                                                                                কবিতার নাম "গনতন্ত্র" এই কবিতাটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থান এর সময় লেখা হয়েছে তবে বই আকারে প্রকাশ করা হয় নাই।  আমি মো: পাবেল মিয়া।  আমি টাংগাইল জেলার দক্ষিণের নাগরপুর থানার অন্তর্গত ধুবড়িয়া  গ্রামে বসবাস করি।  আমি ১০ অক্টোবর ১৯৯৮ সালে এই গ্রামে অত্যন্ত গরিব পরিবারে জন্মগ্রহণ করি। একটা উপন্য়াস লেখার চেষ্টা করে চলেছি। কবিতা : ০১  গনতন্ত্র   মো: পাবেল মিয়া হায়! এই কি গনতন্ত্র হায়রেএই কি গনতন্ত্র?  ন্যায়নীতিহীন স্বৈরাচারী খুন খারাপের যন্ত্র; বাক্যগুলি মিষ্টিবুলি এই কি তোদের তন্ত্র? লোক মেরে ভাই মিষ্টি বিলায় দিচ্ছো বেচেঁ দেশ: হায়নারা সব এক হয়েছে ছাত্র মেরে শেষ। অর্থনীতি ধ্বংস হলো পাচ্ছি কি আর শান্তি বলো?   বাজারেতে গেলেই বলো এইতো সোনার...